বিদ্যালয়টি গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়া মহাসড়কের মাঝামাঝি মালেক বাজারের বাম পাশ দিয়ে ধোপার মাঠ (পুরাতন) নামক স্থানে বর্তমান নিলফা গ্রামে অবস্থিত। এর আঙিনায় দাঁড়িয়ে আছে বিশাল এক বটবৃক্ষ। যার ছায়ায় সুশীতল হয় হাজারো শিক্ষার্থী। এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট একটা নদী। বর্তমানে বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪৩৩ জন। পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট দুটি বিল্ডিং আছে। বিশুদ্ধ পানিয় জলের কোন ব্যবস্থা নেই।
১৩নং নিলফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪২ সালে স্থাপিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি পাঠশালা থাকলেও কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলে তিন জন শিক্ষক ও পঞ্চাশ জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্যোক্তারা ছিলেন মোঃ কালু গাজী, মোঃ কাঞ্চন শেখ, মোঃ মোজলেল হক, মোঃ আব্দুল জব্বার, মোঃ হাকিম শেখ, মোঃ মোজাহার শেখ, মোঃ কুটু মিয়া শেখ ও মোঃ ফোকর শেখ। শিক্ষকবৃন্দ হলেন, মৌলভী আব্দুল লস্কর, মৌলবী আলী আহম্মদ হোসেন মোল্লা ও মোক্তাদের হোসেন। জমি দান করেছেন মৃত. মোবারক শেখ ও মৃত. আব্দুর সামাদ শেখ।
ক্রমিক নং | নাম | পদবী |
১ | সিরাজুল ইসলাম | সভাপতি |
২ | সাকিব শেখ | সহ-সভাপতি |
৩ | সদর আলী শেখ | সদস্য |
৪ | রাজিয়া সুলতানা | ,, |
৫ | রাহিলা বেগম | ,, |
৬ | মোঃ দুলাল হোসেন গাজী | ,, |
৭ | আশরাফ আলী শেখ | ,, |
৮ | লুনা বেগম | ,, |
৯ | বি, মনিরুজ্জামান | ,, |
১০ | নাঈম উদ্দীন বিশ্বাস | ,, |
১১ | বিশাখা সিকদার | সদস্য সচিব |
২০০৮ পাশের হার ৯৯%
২০০৯ পাশের হার ৮৮ %
২০১০ পাশের হার ৯৬%
২০১১ পাশের হার ১০০%
২০১২ পাশের হার ৯৩%
বিদ্যালয়ের মোট ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে ১৮৩জন ছাত্র ছাত্রীকে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়।
বিদ্যালয়ে সমাপনী পরীক্ষায় ফলাফল ভাল। এটি একটি এ গ্রেডের বিদ্যালয়। উপস্থিতি হার শতভাগ।
শিক্ষার্থীদের ১০০% ভর্তি নিশ্চিত করা। মান সম্মত শিক্ষা প্রদান। বৃত্তির হার বাড়ানো এবং শতভাগ পাশের হার ধরে রাখা।
কুশলী, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ।
বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী বৃন্দের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলোঃ
১ম শ্রেণীঃ
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস