গ্রাম বাংলার সবুজে ঘেরা পাকা রাস্তা সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বি¯তৃত ফসলের মাঠ, সম্মুখে বিশাল আয়তনের খেলার মাঠ, চারিদিকে পাকা সীমানা প্রাচীর বেষ্ঠিত প্রধান গেট হতে প্রসস্থ এল ডিজাইনে ১৯১মিটার পাকা রাস্তা-যাহা দুটি দ্বিতল পাকা ভবন, একটি একতলা পাকা ভবন, দুটি সেমিপাকা টিন সেড গৃহের প্রতিটিতে যাতায়াতে আছে পাকা সংযোগ রাস্তা, ভবন সমূহের প্রতিটি কক্ষে বৈদ্যুতিক পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা, একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার, একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, পৃথক বিজ্ঞানাগার, উন্নতমানের পর্যাপ্ত সংখ্যক শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা, বিদ্যালয় ক্যাম্পাচে একটি ছাত্রাবাস এবং খেলার মাঠের পাশ দিয়ে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের সারি ইত্যাদি সব মিলিয়ে যেকোন পরিদর্শক/দর্শনার্থীকে মুগ্ধ করার মত মনোমূগ্ধকর পরিবেশ বিদ্যালয়ে বিরাজিত-মর্মে উপজেলা- জেলায় সুপরিচিতি আছে।
১৯৭২ সনের এক মাহেন্দ্রক্ষণে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ‘‘প্রয়াত পরম পুরুষ শ্রী শ্রী জগদানন্দ ঠাকুর“ ভিত্তি স্থাপন করেন এবং সরকারী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ১৯৭৩ সনে এক বছরের জন্য নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। অতঃপর বহু প্রতিকুলতার মধ্যে ১৯৮৬ সনের প্রলংকারী ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যালয় গৃহ সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, ১৯৮৮ সনের মহা প্লাবনে চরমভাবে বিধ্বস্ত হয়ে হাটি-হাটি পা-পা করে ১৯৯২ সনের ২৪ আগষ্ট তারিখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সর্ব প্রথম বিদ্যালয় পরিদর্শনে এসে এলাকাবাসীর আকুল আবেদনের প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়টির উন্নয়নের সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণের প্রতিশ্র“তি প্রদান করে স্বহস্তে একটি পরিদর্শন প্রতিবেদন লিখেন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস